কার্ট

সব বই লেখক বিষয়

বিষয় লিস্ট

আহমেদ ফারুক এর প্রিয়মুখ ঈদ ম্যাগাজিন-২০১৬

প্রিয়মুখ ঈদ ম্যাগাজিন-২০১৬
এক নজরে

মোট পাতা: 899

বিষয়: ম্যাগাজিন

** বইটি ডাউনলোড করে পড়তে আপনার সেইবই অ্যাপটি ব্যবহার করুন।

ঘুম পাহাড়ের আজব পাখি

আহমেদ  ফারুক

 

মুন্নার মনটা আজ খুব খারাপ। গেল পরীক্ষার দুটো বিষয়ে ডাব্বা মেরেছে। অংকে পাস করেছে টেনেটুনে। সম্পাদ্য তার কাছে সবসময়ই হিজিবিজি লাগে। এবার তার সাথে যুক্ত হয়েছে ভূগোল। প্লুটো গ্রহ নিয়ে নাকি কী সব ঝামেলা শুরু হয়েছে।

গত রাত থেকে মুন্নার বাবা গালফুলিয়ে বসে আছেন। বারান্দার এমাথা থেকে ওমাথা হাঁটছেন আর একটু পরপর বলছেন, ‘দু’টা গরু কিনে দেই। হালচাষ করুক।’

কিন্তু মুন্নার কী দোষ! ওর পড়তে ভালো লাগে না। ক্রিকেট ব্যাট হাতে দোলপাড়ার মাঠে খেলতে ভালো লাগে, ভোলানাথ পোদ্দারের পেয়ারা বাগানে পেয়ারা চুরি করতে ভালো লাগে, আকাশে ঘুড়ি উড়লে এক ধ্যানে তাকিয়ে থাকতে ভালো লাগে।

কাটাকাটিতে ঘুড়িগুলো কেটে যায়। ওলটপালট হয়ে উড়ে কোথায় যেন পড়ে। মাঝে মাঝে তাই ওর খুব ঘুড়ি হতে ইচ্ছে করে। একদিন সেও উড়ে চলে যেত অনেক দূরে।

স্কুলে পণ্ডিত স্যারের বেত খেতে ভালো লাগে না। বাবার গালি, বড় বোন সম্পার হাসাহাসি তার একেবারেই অসহ্য। কিন্তু কিছুই করার নেই তার।

নীল রঙের শার্টটা গায়ে দেয় মুন্না। মন খারাপ থাকলে তার পল্টু মামার কাছে যেতে ভালো লাগে। তিনি খুব সুন্দর করে গল্প বলেন। শুনতে ভালো লাগে।

পল্টু মামা হলো রোহিতের ছোট মামা। সবসময় চিলেকোঠায় শুয়ে থাকেন। মাঝে মাঝে মুন্নার মনে হয় পল্টু মামা তার নিজের মামা হলো না কেন? তার কী মজা! কোন পড়া পড়তে হয় না। সম্পাদ্য আঁকতে হয় না। উপপাদ্য মুখস্থ করতে হয় না। সারাদিন কেবল চিলেকোঠায় শুয়ে থাকা, কত মজা! এ জন্যও তার মন খারাপ হয়।

শুক্রবার বিকেলে পল্টু মামা সবাইকে মজার মজার গল্প শোনান। আজ শুক্রবার না। তবুও পল্টু মামার চিলেকোঠায় ঢুকেই মুন্নার চক্ষুস্থির হলো। কারণ রোহিত, টিপু, পলাশ, লিখন, রেনু, সোনিয়া, সুমি সবাই গোল হয়ে বসে আছে। পল্টু মামা লাল  রঙের একটা মাফলার গলায় পেঁচিয়ে খুকখুক করে কাশছেন। মুন্নাকে দেখেই বললেন, ‘কিরে ফেল্টু নাম্বার টু। খবর কি?’

মুন্নার মন খারাপ হয়ে গেল। শেষ পর্যন্ত কিনা পল্টু মামাও তাকে ফেল্টু বলল। চোখ মুখ কালো করে ফেলল সে। পল্টু মামা ভাব বুঝে বলল, ‘চিন্তা  করিস না, ফেইলিওর ইজ দ্য পিলার অব সাকসেস।’

মুন্না পিছনের দিকটায় বসে পড়ল। পল্টু মামা বলল, ‘কাছে এসে বস। তোদের আজ মজার একটা গল্প বলব। একদম সত্য গল্প। রোজ রোজ মিথ্যা গল্প বলতে ভালো লাগে না।’

রোহিত বলল, ‘মামা ভূতের গল্প নাকি?’

‘ধুত বোকা! ভূত বলতে কিছু আছে নাকি? ভূত হচ্ছে কাল্পনিক ভয়ের জিনিস। কুসংস্কার। তোরা কেউ ভূত বিশ্বাস করবি না, বুঝলি?’

সবাই একসাথে ‘হ্যাঁ’ বলে চিৎকার করে উঠল।

পল্টু মামা গল্প বলতে শুরু করলেন, ‘একদম সত্যি গল্প। তখন আমি তোদের সমান। দাদশপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ক্লাস এইটের ছাত্র। দাশপুর গ্রামে দেখন ফকির নামে আমার এক ফুপা ছিলেন। খুব ধারালো বুদ্ধির মানুষ। একদিন তিনি খুব সকালে মসজিদের সামনের তালগাছে উঠে পড়লেন।’

‘কেন মামা?’রেনু প্রশ্ন করল।

‘সেটাই তো বলছি। গল্পের মধ্যে কথা কম বলবি। গল্প শুনতে হয় মনোযোগ দিয়ে। বুঝলি?’

‘হ্যাঁ মামা।’

‘শোন তবে। দেখন ফকির যে তালগাছটায় উঠেছিলেন ঐ তালগাছে ছিল একটা শকুনের বাসা। শকুন-শকুনী তখন বাসায় ছিল না। তবে বাসায় ছিল দুটি ডিম। দেখন ফকির ছিলেন চালাক। তিনি তখনই ডিম দুটো পকেটে ভরলেন। তারপর গাছ থেকে নেমে সোজা চলে গেলেন রান্নাঘরে। রান্নাঘরে তার বউ ধানসিদ্ধ করছিল। তিনি ডিম দুটো সিদ্ধ করতে বললেন।’

‘হায়, হায়, তাহলে ডিম ফুটবে কী করে?’ পলাশ বলে উঠল।

পল্টু মামা বিরক্ত হলেও কিছু বললেন না। আবার গল্প বলতে শুরু করলেন।

‘দেখন ফকিরের বউ ডিম সিদ্ধ করে ফেলল। তিনি ডিম দুটো নিয়ে আবার তালগাছের দিকে ছুটলেন। ভাগ্য ভালো তখনও শকুন-শকুনী ফেরেনি। তিনি দ্রুত তালগাছে উঠে পড়লেন। ডিমগুলো যে রকম ছিল ঠিক সেভাবে রেখে চলে এলেন।’

গল্পটা এতটুকু বলতেই ছোটমনি সোনিয়া কেঁদে উঠল। কেঁদে কেঁদে বলল, ‘তাহলে এখন কি হবে পল্টু মামা? ডিম দু’টা থেকে তো আর বাচ্চা ফুটবে না।’

পল্টু মামা বলল, ‘কাঁদছিস কেন রে বোকা। গল্পটা শোন। ’

সোনিয়া চোখ মুছতে মুছতে বলল, ‘ঠিক আছে মামা বলো।’

‘ডিম দুটো সিদ্ধ থাকায় কিছুতেই ফুটে বাচ্চা হচ্ছিল না। শকুনীটা সারাদিন ডিমে তা দিতে থাকে। কিন্তু কিছুতেই কিছু হয় না। অবশেষে শকুন একদিন উড়াল দিল হিমালয়ের ঘুম পাহাড়ের দেশে।  ওখানে থাকে শশুক পাখি।’

‘শশুক পাখি দেখতে কেমন?’রোহিত প্রশ্ন করে।

‘শশুক পাখি দেখতে তেমন সুন্দর না। তবে অদ্ভুত। ওর শরীরে কোন পাখা নেই। সারা শরীর হাড্ডি দিয়ে তৈরি। সে চাঁদের আলো খায়। রাতে যখন চাঁদ ওঠে তখন শশুক পাখি পা দুটো উপর দিক দিয়ে উল্টা হয়ে চাঁদের আলো খায় । তারপর উড়াল দিয়ে আকাশের অনেক উপরে উঠতে থাকে। যখন উপরে ওঠা শেষ হয় তখন শরীর ছেড়ে দেয়। আকাশ থেকে শশুক পাখি ধাম করে মাটিতে পড়ে যায়।’

সুমি চোখ বড় বড় করে বলে, ‘তাহলে তো সে মারা যাবে।’

‘আরে না। এটাই হলো শশুক পাখির বৈশিষ্ট্য। প্রতি রাতে একবার সে এ রকম আকাশে উঠে শরীর ছেড়ে দেয়। তারপর ধাম করে মাটিতে পড়ে যায়। হাড্ডিগুলো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে চারদিকে। কিছুক্ষণ পর হাড্ডিগুলো আবার আস্তে আস্তে জোড়া লেগে যায়। শশুক পাখি তখন আবার চাঁদের আলো খায়।’

‘এমন কোন পাখি হয় নাকি?’মুন্না বলল।

‘হয় হয়। সেই পাখির কাছেই শকুন এক রাতে গিয়ে পৌঁছাল। গভীর রাতে শশুক পাখি আকাশে উঠতে শুরু করল। কিছুক্ষণ পর ধাম করে শশুক পাখি মাটিতে পড়ে গেল। শকুন তখন ঝটপট ওখান থেকে একটা হাড্ডি ঠোঁটে নিয়ে রওনা দিল।

তিন দিন তিন রাত  পর শকুন ফিরে এলো শকুনীর কাছে। তারপর হাড্ডিটা সেদ্ধ ডিমের সাথে ছুঁইয়ে দিল। তার কয়েক দিন পর ডিম ফুটে বাচ্চা বের হলো।’

‘তার মানে হাড্ডিটা জাদুর।’রেনু বলল।

‘জাদুর ঠিক না। তবে ঐ হাড্ডির এমন গুণ যে সিদ্ধ ডিম থেকেও বাচ্চা বের করতে পারে।’

‘তারপর কি হলো পল্টুমামা?’

‘তারপর দেখন ফকির একদিন সুযোগ বুঝে আবার তালগাছে উঠল। সে জানত শকুন ঘুম পাহাড়ের দেশ থেকে শশুক পাখির হাড্ডি নিয়ে আসবে। সে হাড্ডিটা চুরি করে বাড়ি আনল।’

‘হাড্ডি চুরি করে লাভ কি?’সোনিয়া বলল।

‘লাভ হলো ঐ হাড্ডি হাতে নিয়ে একটা মন্ত্র পড়তে হবে। তাহলে মনে মনে যা চাওয়া যায় তাই পাওয়া যায়।’

‘মন্ত্রটা কি মামা?’সুমি চোখ বড় বড় করে ফেলে।

ইস্টি খিস্টি খুট

হাড্ডি খুম্মা বুট

ঝটপট ছুট।

রোহিত কিছুটা বিরক্ত হয়েই বলল, ‘আজগুবি গল্প বলবে না তো মামা। আমরা এখন ছোট নই।’

‘কি বললি তুই? আমি আজগুবি গল্প বললাম।’

‘আজগুবি নাতো কী?’

রোহিত নাক শিকেয় তুলল । এমন সময় পল্টু মামা পকেট থেকে

হাড্ডি বের করে বলে, ‘শোন এটাই সেই শশুক পাখির হাড্ডি।

দেখন ফকিরের কাছ থেকে আমি কিনেছিলাম। এবার 

বিশ্বাস হলো তো?’

সবাই ঠিক বিশ্বাস করতে পারছে না এটাই শশুক পাখির হাড্ড কি না। 

হাড্ডিটা সামান্য নীল নীল। দেখেই বোঝা যায় অনেক পুরনো

দিনের। সোনিয়া বলল, ‘পল্টু মামা আমি একটু দেখি।’

‘হ্যাঁ দেখ।’ বলেই হাড্ডিটা সোনিয়ার হাতে দিল।

সুমি হুমড়ি খেয়ে পড়তে লাগল। রেনু বলল, ‘দেখছিস কেমন জানি

একটা অপরিচিত গন্ধ।’

লিখন কিছুটা অনিচ্ছা নিয়েই বলল, ‘হ্যাঁ রে তাই তো।’

মুন্না বলল, ‘এটা কি এখনও আগের মতো কাজ করবে?’

পল্টু মামা বিজ্ঞের মতো মাথা ঝাঁকিয়ে বলল, ‘আলবত করবে।

আর শোন ভাবছিলাম হাড্ডিটা রোহিতকে দিব।

কিন্তু ও আমার মন খারাপ করে দিয়েছে। তাই ওটা

মুন্নার কাছে থাকবে। তোরাও দেখতে পারবি।

শোন মুন্না মন্ত্রটা মনে আছে তো?’

মুন্না মাথা ঝাঁকায়। পল্টু মামা বলল, ‘বল দেখি শুনি।’

‘ইস্টি খিস্টি খুট, হাড্ডি খুম্মা বুট, ঝটপট ছুট।’

‘এইতো গুড ছেলে। আচ্ছা এখন তোরা যা। এমনিতেই আমার

খুব মাথা ধরেছে।’

সবাই পল্টু মামার পরিবর্তে এখন হাড্ডি নিয়ে ব্যস্ত।

ব্যাপারটা বিশ্বাসও করতে পারছে না। আবার অবিশ্বাসও করতে

পারছে না। বিশেষ করে সোনিয়ার মধ্যে এক রকম উত্তেজনা

কাজ করছে। মুন্না হাড্ডিটা সাবধানে পকেটে রাখল।

আজ বাসায় ফিরতে বেশ দেরি হয়ে গেছে মুন্নার। বড় মা নিশ্চয়ই ঝাঁটা হাতে বসে আছে। চিন্তায় বুড়ো মানুষের মত ভ্রূ কুঁচকে গেল তার। ভয় নামক আদিম পশুটা বারবার ধাক্কা দিচ্ছে মনের গভীরে। তবে ভয়কে তেমন পাত্তা দিল না। আস্তে আস্তে বাড়ির সামনের নারকেল গাছটার নিচে এসে দাঁড়ায় সে।

ঘড়ির কাঁটা ৮টা পার করেছে। আটবার টি টি শব্দ হলো। মুন্নার কলিজার এক অংশ ধক করে উঠল। হঠাৎ শশুক পাখির হাড্ডিটার কথা মনে পড়ে যায়। পল্টু মামা বলেছিল ওটাতে নাকি মনের আশা পূর্ণ হয়। হাড্ডিটা বের করতেই চিকচিক করে উঠল। কেমন যেন একটা অপরিচিত আলোক রশ্মি বের হচ্ছে ওটা থেকে।

মুন্না মনে মনে বলল, ‘ইস্টি খিস্টি খুট, হাড্ডি খুম্বা বুট, ঝটপট ছুট।’ এবার সে বাসায় ঢুকল। আড় চোখে বড় মার দিকে একবার তাকাল। বড় মা বলল, ‘এই মুন্না ঝন্টুকে নিয়ে খেতে যায়। ইলিশের ডিমভাজা  গরম গরম খেতে হয়।’

মুন্না খুব অবাক হয়ে গেল। হাড্ডিটা তো তাহলে সত্যি সত্যি বেশ কাজের। মনে মনে দুবার পল্টু মামাকে ধন্যবাদ দেয় সে। রাতে ঘুমোবার আগে সে হাড্ডিটা খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখে। ভাবে এই হাড্ডিটা এত দিন কেন তার কাছে ছিল না? তাছাড়া এদেশে দুএকটা শশুক পাখি থাকলে কি খুব ক্ষতি হতো? এসব ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে পড়ে সে।

 

দুই

আজ মুন্নার পরীক্ষার রেজাল্ট বের হবে। সকাল থেকেই মনটা কেমন জানি ধুঁক ধুঁক করছিল। যদিও পরীক্ষাটা বেশ ভালোই হয়েছে। তবুও স্কুলের মাঠটা পেরোতেই কেমন জানি দুর্বল লাগছিল তার। কিন্তু একি! এখন সে একি শুনছে? ব্যাপারটা তার কিছুতেই বিশ্বাস হচ্ছে না।

মুন্না ক্লাসে ফার্স্ট হয়েছে। ফজিবর স্যার দৌড়ে এসে তাকে জড়িয়ে ধরলেন। ওর কিছুতেই ব্যাপারটা বিশ্বাস হচ্ছে না। পড়তে বসার সময় প্রতিবারই সে হাড্ডিটা হাতে নিত। মন্ত্র পড়ত । মনে মনে বলল, ‘খোদা এবার যেন আমি অংকে পাস করি।’ কিন্তু হাড্ডিটা এমন কারেন্টের মতো কাজ করবে সে ভাবতেই পারেনি। তার বিশ্বাসই হচ্ছে না।

বিকেলে সব বন্ধু  এলো মুন্নার সাথে দেখা করতে। সবাই মিলে গেল পল্টু মামার চিলেকোঠায়। পল্টু মামা পিঠে তেল মালিশ করছেন। তিনি বিরক্ত মুখে খেকিয়ে উঠলেন, ‘এ্যাই ভাগ, সব ভাগ।’

সোনিয়া এগিয়ে গিয়ে বলল, ‘মামা মুন্না পরীক্ষায় ফার্স্ট হয়েছে।’

পল্টু মামা হাসলেন। মুন্না বলল, ‘ আসলে মামা ভালো রেজাল্ট হয়েছে শশুক পাখির হাড্ডির জন্য। মন্ত্র পড়ে পড়তে বসতাম।’

পল্টু মামা এবার জোরে হেসে উঠলেন। রেনু বলল, ‘মামা হাসছ কেন?’

‘শোন ওটা আসলে কোন শশুক পাখির হাড্ডি না। ওটা একটা সাধারণ হাড্ডি। মুন্নার পড়াশুনায় মনোযোগ ছিল না। আত্মবিশ্বাসও ছিল কম। ও ভাবত অংক ও পারবে না। তাই ওর আত্মবিশ্বাস বাড়াতেই ওই হাড্ডি দিয়ে গল্প বানিয়েছিলাম। আসলে ভালোভাবে পড়াশুনা করলেই ভালো রেজাল্ট করা যায়। বুচ্ছিস রে বোকার দল?’

‘ওটা তাহলে কিসের হাড্ডি?’ মুন্না প্রশ্ন করে।

‘জানি না। একদিন রাস্তায় কুড়িয়ে পেয়েছিলাম।’

কথা শেষ করে পল্টু মামা মুন্নার মাথায় হাত বুলিয়ে আদর করলেন। মুন্না চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে আছে। আসলেই শশুক পাখি বলে কিছু নেই ব্যাপারটা ভাবতে তার কষ্ট  হচ্ছে।

সে ছোট্ট একটা নিশ্বাস ফেলে...

অলঙ্করণ : অবনীল (নেট অবলম্বনে)

 

 


সংশ্লিষ্ট বই

পাঠকের মতামত
  • Rating Star

    “ ” - ROFIKUL ISLAM

  • Rating Star

    “ ” - Swapan Laskar

  • Rating Star

    “ ” - Rubel “Kaiyumuzzaman Sarker” Sarker

  • Rating Star

    “Really I like it ” - Mukul Hai

রিভিউ লিখুন
রিভিউ অথবা রেটিং করার জন্য লগইন করুন!